দলনিরপেক্ষভাবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার রাষ্ট্রপতির

২৭ আগস্ট ২০২৬ - ১৭:৩৪
3 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
দলনিরপেক্ষভাবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার রাষ্ট্রপতির
ছবি সংগৃহীত

রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব ও জনকল্যাণে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থেকে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের আগেই তিনি দল, জাতীয় সংসদ ও মন্ত্রিপরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। ফলে তিনি এখন সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষ একজন ব্যক্তি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাবেন।

​বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে বঙ্গভবনের দরবার হলে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত প্রথম দরবারে তিনি এসব কথা বলেন।

​রাষ্ট্রপতি স্পষ্ট করে বলেন, দায়িত্ব পালনকালে তাঁর মনে কারও প্রতি কোনো রাগ বা অনুরাগ থাকবে না। দেশ, রাষ্ট্র এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষা করাই হবে তাঁর মূল লক্ষ্য। তিনি যে কোনো পরিস্থিতিতে জনগণের আস্থা অর্জনসহ কাজের ক্ষেত্রে সততা, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখার তাগিদ দেন।

​বঙ্গভবনের মর্যাদা ও কঠোর গোপনীয়তা

দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা, সম্মান ও আনুগত্য বজায় রাখার তাগিদ দিয়ে রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, বঙ্গভবন হলো রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। তাই এর ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখা সবার দায়িত্ব। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা যাতে বিঘ্নিত না হয়, সে জন্য দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্যক্রম ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের বিষয়ে কঠোর গোপনীয়তা মেনে চলার নির্দেশ দেন তিনি।

​সরকারি সম্পদে সাশ্রয়ী হওয়ার তাগিদ

বক্তব্যে রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী হওয়ার পাশাপাশি সব ধরনের অপচয় রোধের আহ্বান জানানো হয়। তিনি বলেন, জনগণের অর্জিত অর্থেই সরকারি সম্পদ ও সুযোগ-সুবিধা পরিচালিত হয়। তাই এসব সম্পদের সঠিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে বঙ্গভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত জীবনে অনুশাসন মেনে চলার এবং সুন্দর নৈতিক চরিত্র গঠনের পরামর্শ দেন।

​মুক্তিযুদ্ধ ও পূর্বসূরিদের প্রতি শ্রদ্ধা

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ উৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন তিনি। এ সময় তিনি পূর্ববর্তী সকল রাষ্ট্রপতির প্রতিও সম্মান জানান। বঙ্গভবনের সবাইকে একটি পরিবারের সদস্য হিসেবে অভিহিত করে তিনি ভবিষ্যতে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের প্রত্যাশা প্রকাশ করেন।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0