সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই ছিল ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য: ডা. শফিকুর রহমান

০৪ আগস্ট ২০২৬ - ২২:৪৪
2 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই ছিল ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য: ডা. শফিকুর রহমান
বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি- সংগৃহীত

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ঐতিহাসিক ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক অনবদ্য ও অবিস্মরণীয় অধ্যায়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সর্বস্তরের মানুষের একতাবদ্ধ আন্দোলনের মুখেই দীর্ঘ দিনের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটেছে। ছাত্র-জনতার এই বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগের মূল উদ্দেশ্যই ছিল একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সুশাসনভিত্তিক মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

​মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বার্তায় ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে দেশবাসী ও বিশ্বজুড়ে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

​জামায়াত প্রধান তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন একপর্যায়ে এক দফার আন্দোলনে রূপ নেয়, যার মুখে তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকার পতনে বাধ্য হয়। দীর্ঘ সাড়ে ১৬ বছরের শাসন ব্যবস্থার অবসানে জাতিকে চরম ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। গণ-আন্দোলন দমনকালে পুলিশ, র‍্যাবসহ বিভিন্ন বাহিনীর গুলিতে প্রায় দেড় হাজার মানুষ প্রাণ হারান এবং ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হন। হাজারো মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন।

​ডা. শফিকুর রহমান আন্দোলনের সময় প্রাণ উৎসর্গকারী শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিমসহ সকল শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

​তিনি আরও খেদ প্রকাশ করে বলেন, একটি মহলের কারণে ছাত্র-জনতার কাঙ্ক্ষিত প্রত্যাশা আজও পুরোপুরি পূরণ করা সম্ভব হয়নি। তবে শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করতে একটি পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক, ন্যায়বিচার ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনে ভেদাভেদ ভুলে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0