যুক্তরাষ্ট্রে ২০০ বছর পর টেনেসিতে নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে প্রায় দুই শতাব্দী পর প্রথম কোনো নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আইনি বাধা কেটে গেছে। ১৯৯৫ সালের একটি হত্যাকাণ্ডের অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টা পাইকের মৃত্যুদণ্ডের স্থগিতাদেশ তুলে নিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট।
আইনি লড়াই ও স্থগিতাদেশ বাতিল
১৯৯৫ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে সহপাঠী কোলিন স্লেমারকে হত্যার অপরাধে ক্রিস্টা পাইককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। দীর্ঘ তিন দশক ধরে কারাভোগ করা পাইকের আইনজীবীরা তাঁর শৈশবের নির্যাতন ও মানসিক সমস্যার কথা উল্লেখ করে দণ্ড কমানোর আবেদন করেছিলেন। তবে গত ২৮ সেপ্টেম্বর টেনেসির গভর্নর বিল লি পাইকের ক্ষমার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন।
এর পর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্ধারিত সময়ের ঠিক এক ঘণ্টা আগে যুক্তরাষ্ট্রের ষষ্ঠ সার্কিট আপিল আদালত একটি সাময়িক স্থগিতাদেশ জারি করে। কিন্তু টেনেসির অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানালে সর্বোচ্চ আদালত নিম্ন আদালতের আদেশ বাতিল করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পথ সুগম করে।
বিরল মামলা ও পরিসংখ্যান
ন্যাশভিলের রিভারবেন্ড ম্যাক্সিমাম সিকিউরিটি ইনস্টিটিউশনে স্থানীয় সময় ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় তাঁর দণ্ড কার্যকরের পরিকল্পনা রাখা হয়। টেনেসি অঙ্গরাজ্যের কারা বিভাগ জানিয়েছে, পাইক ছিলেন রাজ্যটির একমাত্র মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নারী বন্দী। এ ছাড়া আধুনিক যুগে মাত্র ১৮ বছর বয়সে অপরাধ করে টেনেসিতে মৃত্যুদণ্ড পাওয়ার বিরল দৃষ্টান্তও তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রে নারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার ঘটনা বেশ বিরল। ১৯৭৬ সালে এই দণ্ড পুনর্বহালের পর থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে ১,৬৮৩ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলেও তাদের মধ্যে নারীর সংখ্যা নগণ্য। অন্যদিকে, একই সময়ে টেনেসি রাজ্যে সর্বমোট ১৭ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











