ইন্দোনেশিয়া ম্যাচে বাস্তবতা মেনে লড়তে চায় বাংলাদেশ, জানালেন কোচ থমাস ডুলি

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ - ২১:৩১
3 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
ইন্দোনেশিয়া ম্যাচে বাস্তবতা মেনে লড়তে চায় বাংলাদেশ, জানালেন কোচ থমাস ডুলি
ছবি: সংগৃহীত

ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে তিন গোলের ব্যবধানে বড় জয় পাওয়ার স্বপ্ন থাকলেও বাস্তবতার জমিতে পা রেখে কথা বলছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ থমাস ডুলি। শক্তিমত্তা, র‍্যাংকিং ও স্কোয়াডের গভীরতায় প্রতিপক্ষ অনেকটা এগিয়ে থাকলেও মাঠের লড়াইয়ে নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স উপহার দিতে মুখিয়ে রয়েছেন লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

​প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তা ও ফুটবল সংস্কৃতি

আসিয়ান কাপের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়াকে অত্যন্ত শক্তিশালী দল হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন ৬৫ বছর বয়সী কোচ ডুলি। জার্মানি, ইতালি ও নেদারল্যান্ডসের মতো ইউরোপীয় লিগে খেলা বেশ কিছু প্রবাসী ফুটবলার রয়েছেন তাদের দলে। আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়েও বাংলাদেশের চেয়ে ৬৪ ধাপ এগিয়ে রয়েছে দলটি।

​জাকার্তায় স্বাগতিকদের হাজার হাজার সমর্থকদের সামনে মাঠে নামবেন জামাল ভূঁইয়ারা। ইন্দোনেশিয়ার ফুটবল সংস্কৃতির প্রসারের প্রশংসা করে ডুলি বলেন, তাদের দেশে লাখ লাখ ফুটবলারের ভেতর থেকে সেরা প্রতিভারা উঠে আসে। বাংলাদেশেও দীর্ঘমেয়াদে মানসম্পন্ন লিগ ও ফুটবল সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

​খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত দক্ষতা ও দলগত প্রস্তুতি

ইন্দোনেশিয়ার ফুটবলারদের শারীরিক গঠন ও কারিগরি দক্ষতার ভূয়সী প্রশংসা করেন বাংলাদেশ কোচ। বিশেষ করে জার্মান ক্লাব বোরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখে খেলা কেভিনসহ প্রতিপক্ষের দীর্ঘদেহী রক্ষণ ও আক্রমণভাগের তারকাদের নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

​ম্যাচের ফল যাই হোক না কেন, বাংলাদেশকে পুরো সময় লড়াই চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান থমাস ডুলি। আগের ম্যাচে মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে দল যেভাবে খেলেছিল, সেই একই মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামার ওপর জোর দেন তিনি।

​মনস্তাত্ত্বিক লড়াই ও 'আন্ডারডগ' প্রসঙ্গ

খেলোয়াড়দের অনুপ্রেরণার ঘাটতি রয়েছে—এমন গুঞ্জন ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন কোচ। নিজেকে ‘আন্ডারডগ’ বা তুলনামূলক পিছিয়ে থাকা দল হিসেবে তুলে ধরার পেছনে মনস্তাত্ত্বিক কৌশল থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি। আগাম বড় বড় কথা না বলে মাঠের পারফরম্যান্সের মাধ্যমেই চমক দেওয়ার পক্ষে এই অভিজ্ঞ কোচ।

​ফুটবলে ছোট দলগুলোও কখনো কখনো ফেভারিটদের হারিয়ে দেয় উল্লেখ করে ডুলি জানান, প্রতিপক্ষ ভুটান, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান কিংবা ভারত যা-ই হোক না কেন—মূল কাজ হলো সঠিক ও মানসম্পন্ন ফুটবল খেলা।

​প্রতিপক্ষকে ৩-০ গোলে হারানো দারুণ এক অনুভূতি হতো স্বীকার করে ডুলি জানান, বাস্তবিকভাবে ইন্দোনেশিয়ার চার-পাঁচটি গোল করার মতো সামর্থ্য রয়েছে। তাই কাল্পনিক ফলের পেছনে না ছুটে মাঠের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আত্মবিশ্বাসের সাথে লড়াই করার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0