চরিত্রের প্রয়োজনে খোলামেলা পোশাক ও দৃশ্যে রাজি হওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই: রাশমিকা মান্দানা

২৩ অক্টোবর ২০২৬ - ১৯:৩৬
3 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
চরিত্রের প্রয়োজনে খোলামেলা পোশাক ও দৃশ্যে রাজি হওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই: রাশমিকা মান্দানা
ছবি সংগৃহীত

দক্ষিণী চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা জানিয়েছেন, অভিনয়ের স্বার্থে সব ধরনের দৃশ্য বা খোলামেলা পোশাকে রাজি হতে হবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। পর্দায় নিজের স্বাচ্ছন্দ্য ও ব্যক্তিগত সীমারেখাকেই তিনি সবসময় অগ্রাধিকার দেন। একই সঙ্গে নির্মাতাদের কাছে নিজের আপত্তির কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা যে একজন শিল্পীর জন্য সবসময় সহজ কাজ নয়, সেই বাস্তবতার কথাও তিনি স্বীকার করেছেন।

​জনপ্রিয় টকশো ‘কফি উইথ করণ’-এর নবম সিজনে স্বামী ও অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডার সঙ্গে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে এসব কথা বলেন এই অভিনেত্রী। অনুষ্ঠানে সিনেমায় নারী চরিত্রের উপস্থাপন, পর্দায় শরীর প্রদর্শন এবং অভিনয়শিল্পীদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

​চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব রাম চরণের ‘পেদ্দি’ সিনেমায় অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুরের চরিত্র ঘিরে সম্প্রতি তৈরি হওয়া বিতর্ক নিয়ে আলোচনা উঠলে রাশমিকা তার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ব্যক্ত করেন। উল্লেখ্য, বুচি বাবু সানা পরিচালিত ‘পেদ্দি’ সিনেমাটি মুক্তির পর জাহ্নবী কাপুরের ‘অচিয়াম্মা’ চরিত্রটির উপস্থাপন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। দর্শকদের একাংশের অভিযোগ ছিল, গল্পে চরিত্রের গুরুত্বের চেয়ে বাহ্যিক সৌন্দর্যকেই বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ক্যামেরার অ্যাঙ্গেল ও জাহ্নবীর চরিত্রের অনিচ্ছা সত্ত্বেও রাম চরণের চুম্বনের দৃশ্য নিয়ে আপত্তির মুখে শেষ পর্যন্ত সিনেমাটির কিছু দৃশ্য বাদ দেওয়া হয়।

​এই প্রসঙ্গ টেনে রাশমিকা বলেন, কোনো গল্পের বা বাণিজ্যিক সিনেমার প্রয়োজনে বিকিনি বা এ জাতীয় পোশাক পরার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। কিন্তু সেখানেও কতটুকু প্রদর্শনে তিনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন, তার একটি স্পষ্ট সীমারেখা থাকা উচিত। তিনি জানান, সৌভাগ্যবশত তার অধিকাংশ পছন্দের পরিচালক তার ব্যক্তিগত পছন্দ ও সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে থাকেন। ফলে যেসব নির্মাতা শিল্পীর স্বাচ্ছন্দ্যকে প্রাধান্য দেন, তাদের সঙ্গেই তিনি কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।

​অভিনেত্রী আরও জানান, কোনো দৃশ্য নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব দেখা দিলে তিনি স্বামী বিজয়ের পরামর্শ নেন। বিজয়ের ইতিবাচক সমর্থন তাকে নির্মাতাদের সামনে 'না' বলার সাহস দেয়। এ বিষয়ে বিজয় দেবেরাকোন্ডা যোগ করেন, চুক্তি করার পর অনেক সময় শিল্পীদের ওপর সব কাজ মেনে নেওয়ার মানসিক চাপ তৈরি করা হয়। অস্বস্তির কথা জানালে ‘অপেশাদার’ তকমা পাওয়ার আশঙ্কায় বাধ্য হয়ে অনেকে অনিচ্ছা সত্ত্বেও দৃশ্যে অংশ নেন। তাই শিল্পীদের পাশে এমন মানুষ থাকা দরকার, যারা প্রয়োজনে 'না' বলার সাহস জোগাতে পারেন।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0