ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বৈশ্বিক ফেস্টিভ্যালে লক্ষ্য গ্রুপসেরা হওয়া: আশাবাদী বাংলাদেশ দল
বয়সভিত্তিক ফুটবলে অতীতের আঞ্চলিক বা মহাদেশীয় ফেস্টিভ্যালের প্রথা ভেঙে এবার প্রথমবার বৈশ্বিক পরিসরে অনূর্ধ্ব-১৫ ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করেছে ফুটবলের আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। আজারবাইজানে আয়োজিত এই বৈশ্বিক আসরে বিশ্বের ১৯১টি দেশ অংশ নিচ্ছে। টুর্নামেন্টের ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের সঙ্গী হয়েছে পর্তুগাল, ওয়েলস, বুরুন্ডি, ইন্দোনেশিয়া ও ফিজি।
টুর্নামেন্টের ফরম্যাট অনুযায়ী ১৯১টি দলকে মোট ৩২টি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। কেবল প্রতি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন দলটিই পরবর্তী নকআউট পর্বে খেলার সুযোগ পাবে। বাকি দলগুলোকে অংশ নিতে হবে প্লেট পর্বে। এমন প্রতিযোগিতাপূর্ণ আসরে দেশের লক্ষ্য নিয়ে স্পষ্ট মনোভাব প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক ফাহিম হাসান। তিনি জানান, তাদের মূল নজর গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্বে পৌঁছানো এবং সেই লক্ষ্যেই তারা মাঠে সর্বস্ব দিয়ে লড়বেন। গ্রুপে পর্তুগাল ও ওয়েলসের মতো শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী থাকলেও দল যথেষ্ট প্রস্তুত এবং শক্ত লড়াই দিতে মুখিয়ে আছে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
৮ জন খেলোয়াড় নিয়ে গঠিত স্কোয়াডের এই ফেস্টিভ্যালে প্রতিটি ম্যাচ ২০ মিনিট করে দুই অর্ধে অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ২৫ ও ২৬ অক্টোবর বাংলাদেশকে প্রতিদিন দুটি করে ম্যাচ খেলতে হবে। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বাফুফে ভবনে তরুণ ফুটবলারদের সাথে সাক্ষাৎ করে তাদের দিকনির্দেশনা ও উৎসাহ দেন। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগকে ক্যারিয়ারের বড় অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করে খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করার আহ্বান জানান তিনি।
সাক্ষাৎকালে অধিনায়কের অনুরোধের প্রেক্ষিতে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী দলের সব খেলোয়াড়ের জন্য উন্নতমানের বুট এবং দুই গোলরক্ষকের জন্য মানসম্মত গ্লাভস উপহার হিসেবে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। একই সঙ্গে টুর্নামেন্টে আশানুরূপ সাফল্য পেলে পরবর্তীতে আরও বড় পুরষ্কারের ঘোষণা দেন তিনি। বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ আকবর হোসেন রিদন জানান, দিনে দুটি ম্যাচ খেলার চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখেই প্রায় তিন মাস ধরে দলকে নিবিড় অনুশীলনের মাধ্যমে প্রস্তুত করা হয়েছে।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











