স্থানীয় সরকার নির্বাচন: নতুন ভোটার ও এলাকা পরিবর্তনের আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত

১৭ অক্টোবর ২০২৬ - ২০:২৭
3 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
স্থানীয় সরকার নির্বাচন: নতুন ভোটার ও এলাকা পরিবর্তনের আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন ভোটার হিসেবে নিবন্ধন এবং আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের সুযোগ দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই দুই ধরণের আবেদনের জন্যই নির্বাচন কমিশন আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করেছে।

​শনিবার (১৭ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে এই সংক্রান্ত পৃথক নির্দেশাপত্র জারি করা হয়। ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় উপজেলা, থানা নির্বাচন কর্মকর্তা এবং রেজিস্ট্রেশন অফিসারদের নির্ধারিত সময়সীমা অনুসরন করে সব কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি আঞ্চলিক ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের পুরো কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করার দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

​ইসির জারিকৃত তফসিল ও নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন গ্রহণের শেষ সময় ৩১ অক্টোবর। জমা পড়া আবেদনসমূহ ৩ নভেম্বরের মধ্যে ইস্যু করতে হবে এবং স্থানান্তরের আবেদনগুলোর নিষ্পত্তি করতে হবে ৫ নভেম্বরের মধ্যে।

​অন্যদিকে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৫ নভেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। প্রকাশিত খসড়া তালিকায় কোনো ভুলত্রুটি পরিলক্ষিত হলে তা সংশোধনের জন্য দাবি, আপত্তি ও আবেদন জমা দেওয়া যাবে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত। এসব আবেদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিষ্পত্তির শেষ দিন ২৩ নভেম্বর। গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে ২৪ নভেম্বর এবং চূড়ান্ত হালনাগাদ ভোটার তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে আগামী ২৫ নভেম্বর।

​নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটার তালিকা আইন অনুযায়ী যোগ্যতা অর্জনের সর্বশেষ তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ৩১ অক্টোবর ২০২৬। সেই অনুযায়ী, ২০০৮ সালের ৩১ অক্টোবর বা তার পূর্বে জন্মগ্রহণকারী যে সকল নাগরিক ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ইসি’র ডেটাবেইসে নিবন্ধিত হয়েছেন বা হবেন, তাদেরকেই চূড়ান্ত হালনাগাদ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

​মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রতি নির্দেশ দিয়ে কমিশন জানিয়েছে, খসড়া তালিকা প্রকাশের পর সর্বসাধারণ যেন তা ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারেন এবং ভুলত্রুটি থাকলে তা সংশোধনের সুযোগ নেন—সেই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে। এজন্য মসজিদ ও মন্দিরসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে স্থানীয় ইমাম ও পুরোহিতদের মাধ্যমে বিশেষ ঘোষণার ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। একই সাথে স্থানীয় সাংবাদিক ও ক্যাবল অপারেটরদের মাধ্যমে তথ্যটি ব্যাপকভাবে প্রচারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

​ইসি আরও নির্দেশ দিয়েছে যে, খসড়া তালিকায় পুরুষ ও নারী ভোটারের লিঙ্গগত ভুল, ধর্ম সংক্রান্ত অসঙ্গতি বা অন্য যেকোনো প্রযুক্তিগত ত্রুটি ধরা পড়লে তা দ্রুত সংশোধনের পদক্ষেপ নিতে হবে।

​উল্লেখ্য, আগামী বছরের জানুয়ারি মাস থেকে পর্যায়ক্রমে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। তার আগেই ভোটার তালিকা পুরোপুরি হালনাগাদ, নতুন ভোটারদের অন্তর্ভুক্তি ও এলাকা পরিবর্তন সংক্রান্ত সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চায় সাংবিধানিক এই সংস্থাটি।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0