আলমডাঙ্গার ‘ফজলুল হক খাল’ উদ্ধারে জেলা পরিষদ প্রশাসক শরীফুজ্জামান শরীফের পরিদর্শণ
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা দূর করতে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ঐতিহ্যবাহী ‘ফজলুল হক খাল’ পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে খালের ভরাট ও অবৈধভাবে দখল হয়ে যাওয়া বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেছেন চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শরীফুজ্জামান শরীফ।
প্রাসঙ্গিক সংবাদ
- চুয়াডাঙ্গায় ভোক্তা-অধিকারের অভিযান, ওজন স্কেলে ত্রুটির কারণে দুটি প্রতিষ্ঠানে জরিমানা
- চুয়াডাঙ্গায় অপচিকিৎসার দায়ে ভুয়া কবিরাজকে জরি/মানা, সরঞ্জাম জব্দ
- আলমডাঙ্গায় পুলিশের অভিযানে মাদক ও চোরাই মোটরসহ গ্রেপ্তার-৫, সামারি ট্রায়ালে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
- চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় অজ্ঞাত বাকপ্রতিবন্ধীর মৃত্যু
- আলমডাঙ্গা উপজেলা জামায়াতের মাসিক সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত
পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীনুর আক্তার, উপজেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং চুয়াডাঙ্গা ও আলমডাঙ্গার স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
পরিদর্শন দল সরেজমিনে খালের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখে খালের বর্তমান নাজুক অবস্থা প্রত্যক্ষ করেন। দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনা ফেলা, সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং অবৈধ দখলের কারণে ঐতিহ্যবাহী এই খালটির অস্তিত্ব এখন সংকটের মুখে পড়েছে। খালের অনেক অংশ ভরাট করে অস্থায়ী স্থাপনা গড়ে তোলায় সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো পৌর এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরেই এই খালটি উদ্ধার ও পুনঃখননের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
পরিদর্শন শেষে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, "ফজলুল হক খালটি আলমডাঙ্গা পৌর শহরের পানি নিষ্কাশনের প্রধান ধমনী। কিন্তু অবৈধ দখল ও ভরাটের কারণে এটি বর্তমানে মৃতপ্রায়। চুয়াডাঙ্গার সাধারণ মানুষের কল্যাণ ও পরিবেশ রক্ষায় কোনো আপস করা হবে না। জেলা পরিষদ ও স্থানীয় প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে জনস্বার্থে খালটির পুনরুদ্ধার ও পুনঃখনন কাজ শুরু করা হবে।"
আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীনুর আক্তার জানান, খালের সীমানা নির্ধারণের পাশাপাশি অবৈধ দখলদারদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। দ্রুতই সরকারি নিয়মানুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ফিরিয়ে আনা হবে।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











