দিল্লিতে সিজেপির পদযাত্রা রোধে সেন্ট্রাল পার্ক বন্ধ, মোতায়েন ২৫ হাজার পুলিশ

১৬ অক্টোবর ২০২৬ - ১৫:২৬
2 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
দিল্লিতে সিজেপির পদযাত্রা রোধে সেন্ট্রাল পার্ক বন্ধ, মোতায়েন ২৫ হাজার পুলিশ
ছবি সংগৃহীত

ভারতের রাজধানী দিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্ক আগামী দুই দিন অর্থাৎ শুক্র ও শনিবারের জন্য সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। আজ শুক্রবার বিকেলে এই পার্কে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) উদ্যোগে জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা পদযাত্রা কর্মসূচি পালিত হওয়ার কথা রয়েছে।

​এই সমাবেশ প্রতিহত করতে দিল্লি এবং তার আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় ২৫ হাজারের বেশি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া সেন্ট্রাল পার্ক ও রাজীব চক মেট্রো স্টেশনের নিরাপত্তা জোরদার করতে নতুন সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

​গত মঙ্গলবার সিজেপির দুই শীর্ষ নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেপ্তার করে। তাদের মুক্তির দাবিতেই এই তিরঙ্গা মার্চের ডাক দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি, ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিও জানিয়ে আসছে সংগঠনটি।

​এর আগে যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করায় সিজেপি এই প্রতিবাদের জন্য সেন্ট্রাল পার্ককে বেছে নেয়। নির্ধারিত এই কর্মসূচিতে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) সভাপতি নেহা বোরা এবং আম আদমি পার্টির বেশ কিছু নেতার উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

​এদিকে সাধারণ মানুষকে নতুন এই কর্মসূচিতে অংশ না নেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ। অপরদিকে নয়াদিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল (এনডিএমসি) এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, একান্তই প্রশাসনিক কারণে সেন্ট্রাল পার্ক শুক্র ও শনিবার বন্ধ রাখা হচ্ছে।

​সিজেপির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গত বৃহস্পতিবার দিল্লি পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দিল্লি পুলিশের কমিশনার অনুরাগ কুমার। পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, এখনই মেট্রো পরিষেবা বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। তবে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে একেবারে শেষ মুহূর্তে মেট্রো চলাচলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

​একই সঙ্গে পুলিশ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক গোষ্ঠীকে আইনের সীমার মধ্যে উপযুক্ত কোনো স্থানে জাতীয় পতাকা বহন এবং জাতীয় সংগীত গাওয়ার সুযোগ দেওয়া হতে পারে।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0