ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেসে ফের ৫.৯ মাত্রার ভূকম্পন, আতঙ্কে উপকূলের বাসিন্দারা

২০ আগস্ট ২০২৬ - ১১:৫৯
2 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেসে ফের ৫.৯ মাত্রার ভূকম্পন, আতঙ্কে উপকূলের বাসিন্দারা
প্রতীকী ছবি

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস অঞ্চলে আবারও আঘাত হেনেছে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প। ইউরোপিয়ান-মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টারের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সংঘটিত এই ভূকম্পনের উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে।

​ফ্লোরেস দ্বীপে চলতি সপ্তাহে এটি দ্বিতীয়বারের মতো ৫.৯ মাত্রার ভূকম্পনের ঘটনা। এর আগে গত সোমবার (১৭ আগস্ট) জার্মানির জিএফজেড রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেসের তথ্যানুযায়ী, একই মাত্রার এবং ১০ কিলোমিটার গভীরতার আরও একটি ভূমিকম্প এই এলাকায় অনুভূত হয়।

​মূলত গত শনিবার আঘাত হানা ৭.৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পের রেশ কাটতে না কাটতেই এলাকাটি একের পর এক কম্পনে কেঁপে উঠছে। আগের শক্তিশালী কম্পনে সৃষ্ট ধসে যাওয়া ঘরবাড়ি ও ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে উদ্ধারকাজ পরিচালনার মাঝেই নতুন করে একাধিক ধাক্কা এলো। বিগত দিনের এই ধারাবাহিক দুর্যোগে এখন পর্যন্ত অন্তত ৫৩ জনের প্রাণহানির তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

​ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও মানবিক সংকট

ভূমিকম্পের তীব্রতায় পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশে অবকাঠামোগত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ওই অঞ্চলে ৯০০টির বেশি বাড়িঘর পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে এবং প্রায় ৪৫০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রায় ৫ হাজার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে নিরাপদ ও অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এতে অন্তত ১৩৫ জন আহত হয়েছেন এবং কেবল ফ্লোরেস এলাকাতেই ২৪১টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

​ভূকম্পন পরবর্তী সম্ভাব্য সুনামি সতর্কতার কারণে বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যান। তবে পরবর্তী সময়ে সেই পূর্বাভাস প্রত্যাহার করে নেয় প্রশাসন। দুর্যোগ কবলিত মানুষের জন্য জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র খোলার পাশাপাশি ত্রাণকর্মীরা চাল, শুকনো খাবার, পানীয় জল, কম্বল ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ অব্যাহত রেখেছেন।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0