দেশে বিমান বহরে ২০০টির বেশি উড়োজাহাজ দেখতে চান পর্যটনমন্ত্রী, ত্রিশালে বিমানবন্দরের ইঙ্গিত

১১ অক্টোবর ২০২৬ - ২০:১২
3 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
দেশে বিমান বহরে ২০০টির বেশি উড়োজাহাজ দেখতে চান পর্যটনমন্ত্রী, ত্রিশালে বিমানবন্দরের ইঙ্গিত
ছবি সংগৃহীত

ভবিষ্যতের আকাশপথের বিপুল চাহিদা বিবেচনা করে দেশের বিমানবহরে ২০০টিরও বেশি উড়োজাহাজ দেখতে চান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি জানান, এরই অংশ হিসেবে নতুন করে ৩৫টি উড়োজাহাজ ক্রয়ের প্রাথমিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা ২০৩১ সাল থেকে শুরু করে ২০৩৬-৩৭ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে বহরে যুক্ত হবে।

​রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এসএসসি ও সমমানের জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। নগরের সারিন্দা সবারি রিসোর্টে ‘সৃষ্টি সুখের উল্লাসে’ শীর্ষক এই আয়োজনে প্রায় ১ হাজার ২০০ কৃতী শিক্ষার্থীকে সম্মাননা জানানো হয়।

​উড়োজাহাজ ক্রয়ের যৌক্তিকতা তুলে ধরে বিমানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে যেসব উড়োজাহাজ সচল রয়েছে, সময়ে সময়ে সেগুলো পুরোনো হয়ে যাবে। নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত না করলে ভবিষ্যতের বিমান যোগাযোগব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়তে পারে। আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতে হলে আকাশপথ সম্প্রসারণের বিকল্প নেই। কানাডা, নিউইয়র্ক, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের মতো কৌশলগত আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইটের ব্যাপ্তি বাড়ানো গেলে পর্যটন ও ব্যবসা-বাণিজ্য উভয় খাতেই নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচিত হবে।

​অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহের স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে আঞ্চলিক যোগাযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে জেলায় একটি বিমানবন্দর স্থাপনের জোরালো দাবি জানানো হয়। এ প্রসঙ্গে বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ এবং সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান।

​স্থানীয় দাবির প্রেক্ষিতে বিমানমন্ত্রী জানান, রাজধানীর বিমানবন্দরের ওপর দীর্ঘমেয়াদে অতিরিক্ত চাপ সামাল দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে। এর সমাধানে বড় কোনো অবকাঠামো গড়ে তোলা জরুরি। ময়মনসিংহের ত্রিশালে বিমানবন্দর তৈরির বিষয়ে নিজস্ব চিন্তাভাবনা ও পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এটি একটি সুদূরপ্রসারী ও বড় প্রকল্প হওয়ায় হুট করে সম্ভব নয়, নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ও সময় মেনে এগোতে হবে।

​এছাড়া ময়মনসিংহে শিশুপার্ক নির্মাণ ও স্থানীয় ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবির বিষয়ে মন্ত্রী ইতিবাচক আশ্বাস দেন। তিনি জানান, আসন্ন ঈদের পূর্বেই শিশুপার্কের প্রাথমিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের চেষ্টা চালানো হবে এবং আগামী বছরের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আগেই তা দৃশ্যমান রূপ পাবে।

​সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ময়মনসিংহের অন্যান্য সংসদ সদস্য—জাকির হোসেন বাবলু (ময়মনসিংহ-৫) ও লুৎফুল্লাহেল মাজেদ (ময়মনসিংহ-৮) সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0