জোলির সঙ্গে বিচ্ছেদের পর আত্মহত্যার কথা ভেবেছিলেন ব্র্যাড পিট: হলিউড তারকার আবেগঘন বিষাদগাথা
অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সঙ্গে দাম্পত্য বিচ্ছেদের পর চরম মানসিক সংকটের মধ্য দিয়ে গিয়েছিলেন হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ব্র্যাড পিট। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ৬২ বছর বয়সি এই তারকা অকপটে স্বীকার করেছেন, ২০১৬ সালে বিচ্ছেদের পর তিনি এতটাই ভেঙে পড়েছিলেন যে তার মনে আত্মহত্যার চিন্তাও উঁকি দিয়েছিল।
আমেরিকান সাময়িকী 'এসকোয়ার'-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্র্যাড পিট জানান, জীবনের ওই বিশেষ সময়টি ছাড়া তিনি কখনো এমন মানসিক বিপর্যয়ে পড়েননি। তিনি বলেন, “আমি একটি সংক্ষিপ্ত সময় ছাড়া কখনো আত্মহত্যাপ্রবণ ছিলাম না। তবে ওই সময়টিতে আমার মনে হয়েছিল আমি আর সামলে উঠতে পারছি না এবং সামনে এগিয়ে যাওয়ার কোনো পথ খুঁজে পাচ্ছিলাম না।”
নিজের মানসিক যন্ত্রণার তীব্রতা প্রকাশ করতে গিয়ে পিট আরও ব্যাখ্যা করেন, নিজের ক্ষতি করার সরাসরি কোনো ইচ্ছে না থাকলেও তীব্র কষ্টে থাকা মানুষ কেন মৃত্যুকে একধরনের পথ বা 'মুক্তি' মনে করে, তা তিনি উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। তিনি বলেন, “কষ্টটা এতটাই দমবন্ধ করা ছিল যে হয়তো আমি শেষ পর্যন্ত কোনো চরম পদক্ষেপ নিতাম না; কিন্তু মাথার ভেতরে সেই হিমশীতল অনুভূতি পাচ্ছিলাম এবং মনে হচ্ছিল এটাই যেন যন্ত্রণা থেকে মুক্তির একমাত্র পথ।”
প্রাসঙ্গিক সংবাদ
- গাজীপুরে মেট্রিক্স সোয়েটার কারখানায় ভয়াবহ আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৭০ শ্রমিক
- এশিয়ান গেমস হকি: চীনের কাছে ৭-১ গোলে হেরে সপ্তম স্থানের লড়াইয়ে বাংলাদেশ
- মেঘনায় ট্রলারডুবি: নিখোঁজ বাবার লাশ উদ্ধার, নিহত বেড়ে ৫
- মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহত ৪
- কেরানীগঞ্জে চাঁদা না দেওয়ায় মাছ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা
তবে শেষ পর্যন্ত বেঁচে থাকার তীব্র বাসনা ও আত্মরক্ষামূলক অনুভূতিই জয়ী হয় বলে জানান এই তারকা। তিনি বলেন, “তখন আমি বিষয়টি বুঝতে পারি—আত্মহত্যা মূলত অবর্ণনীয় কষ্ট থেকে রক্ষা পাওয়ার এক ব্যাকুল প্রচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়।”
এই কঠিন সংকটের পেছনে সন্তান বা পরিবারসংক্রান্ত কোনো বিষয় ছিল কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় পিট বলেন, “পারিবারিক বিষয়।” এর চেয়ে বেশি কিছু না বলে তিনি যোগ করেন, “পারিবারিক বিষয়, আমরা আলোচনার ইতি এখানেই টানতে পারি।”
উল্লেখ্য, ‘মি. অ্যান্ড মিসেস স্মিথ’ চলচ্চিত্রের সেটে ব্র্যাড পিট ও অ্যাঞ্জেলিনা জোলির পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং তাদের ছয়টি সন্তান রয়েছে। ২০১৬ সালে জোলি বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন এবং সন্তানদের একক জিম্মাদারি দাবি করেন। দীর্ঘ আইনি টানাপোড়েন শেষে ২০১৯ সালে তারা আইনগতভাবে আলাদা হন এবং ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তাদের বিচ্ছেদ চূড়ান্ত নিষ্পত্তিতে পৌঁছায়।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











