একটি সেশনেও আমরা পিছিয়ে ছিলাম না’, ডারউইনে বাংলাদেশের জয়কে ‘নিখুঁত’ বললেন হাবিবুল বাশার

১৬ আগস্ট ২০২৬ - ১৭:২৭
3 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
একটি সেশনেও আমরা পিছিয়ে ছিলাম না’, ডারউইনে বাংলাদেশের জয়কে ‘নিখুঁত’ বললেন হাবিবুল বাশার
ছবি: সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে স্বাগতিকদের হারিয়ে ঐতিহাসিক টেস্ট জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। ডারউইনের মাঠে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে পুরো সময় জুড়েই দাপট দেখিয়েছে সফরকারীরা। সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমনের মতে, ম্যাচজুড়ে বাংলাদেশ যেভাবে খেলেছে, তাতে প্রতিটি সেশনেই দলের প্রাধান্য স্পষ্ট ছিল। পুরো খেলায় আধিপত্য বজায় রেখে বাংলাদেশ একটি ‘নিখুঁত’ জয় উপহার দিয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

​২০০৩ সালে এই একই মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট ম্যাচে ক্রিকেটার হিসেবে মাঠে ছিলেন হাবিবুল বাশার। সেই ম্যাচে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। দীর্ঘ ২৩ বছর পর একই মাঠে দাঁড়িয়ে ভিন্ন ভূমিকায় বাংলাদেশের ইতিহাস গড়া জয় প্রত্যক্ষ করলেন তিনি। বাশারের মতে, অস্ট্রেলিয়াকে তাদের নিজেদের মাটিতে হারানোর অভিজ্ঞতা অসাধারণ। শুধু ম্যাচ জেতা নয়, পুরো ম্যাচে দল যেভাবে দাপট দেখিয়েছে, তা তাকে অত্যন্ত গর্বিত করেছে।

​সংবাদমাধ্যমকে হাবিবুল বাশার জানান, টেস্ট ক্রিকেট একদিনে বা নির্দিষ্ট একটি সেশনে জেতা সম্ভব নয়। ডারউইন টেস্টের প্রতিটি সেশনেই বাংলাদেশ প্রতিপক্ষকে চাপে রেখেছে এবং একটি সেশনেও দল পিছিয়ে ছিল না। ব্যাটার ও বোলারদের পারফরম্যান্স একদম সঠিক মানের ছিল।

​ম্যাচের চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৭ রানে গুটিয়ে দিয়ে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ৪২৬ রান। তানজিদ হাসান তামিম (১০১), নাজমুল হোসেন শান্ত (৮৪) ও মেহেদী হাসান মিরাজের (১০৯) ব্যাটে ভর করে ২২৮ রানের বড় লিড পায় দল। পরবর্তীতে দ্বিতীয় ইনিংসে স্বাগতিকরা ২৮৪ রানে অলআউট হলে জয়ের জন্য ৫৭ রানের সহজ লক্ষ্য পায় বাংলাদেশ, যা মাত্র ১ উইকেট হারিয়েই অর্জন করে নেয় তারা। ব্যাটারদের পাশাপাশি হাসান মাহমুদ, মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাসকিন আহমেদরা বোলিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

​২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে জয়ের কথা স্মরণ করে সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, তৎকালীন শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়াকে হারানো ছিল এক বাঁধভাঙা আনন্দের মুহূর্ত। তবে ওয়ানডেতে যেকোনো দলের একটি ভালো দিন জয় এনে দিতে পারে, কিন্তু টেস্টে জয় পেতে টানা পাঁচ দিন নিজেদের সেরাটা ধরে রাখতে হয়। তাই টেস্ট ফরম্যাটে এই ধরনের জয় অনেক বেশি স্পেশাল।

​২৩ বছরের ব্যবধানে একই মাঠে হার ও জয়ের অভিজ্ঞতার তুলনা করে তিনি জানান, ২০০৩ সালে তারা শেখার প্রক্রিয়ার মধ্যে ছিলেন। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্রিকেট চিত্র বদলে গেছে। দল কতটা আত্মবিশ্বাসী ও ক্ষুধার্ত ছিল, তা মাঠের পারফরম্যান্সে প্রমাণিত হয়েছে। ম্যাচের শেষ মুহূর্তেও খেলোয়াড়রা শান্ত ও মনোযোগী থেকে নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছেন।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0