ফিফা আসিয়ান কাপে ভারতের স্থলাভিষিক্ত হতে পারে বাংলাদেশ, আশাবাদী বাফুফে
আসন্ন ফিফা আসিয়ান কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে ভারতের জায়গায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণের জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা (ফিফা)-র অনুমোদনে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই টুর্নামেন্টটি আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
টুর্নামেন্টে মোট ১৪টি দল দুটি ভাগে (প্রিমিয়ার ডিভিশনে ৮টি ও চ্যালেঞ্জ ডিভিশনে ৬টি) বিভক্ত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। প্রিমিয়ার ডিভিশনের ম্যাচগুলো ইন্দোনেশিয়ায় এবং চ্যালেঞ্জ ডিভিশনের খেলাগুলো হংকংয়ে আয়োজিত হবে। আসরের নিয়ম অনুযায়ী, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন দল দুটি সরাসরি ডিভিশন ফাইনালে মুখোমুখি হবে—যেখানে কোনো সেমিফাইনাল রাখা হয়নি। প্রিমিয়ার ডিভিশনের শিরোপাজয়ী দল পুরস্কার হিসেবে পাবে ১০ লাখ মার্কিন ডলার।
প্রাথমিকভাবে টুর্নামেন্টে ভারতের অংশগ্রহণের কথা থাকলেও, সেপ্টেম্বরের ওই একই সময়ে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ভারত সফর করবে। ফলে আসিয়ান কাপ থেকে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতীয় ফুটবল দল। ভারত সরে দাঁড়ানোর পর বাফুফে (বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন) এই আসরে খেলতে নতুন করে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
বাফুফে সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় ফুটবল দলের আসিয়ান কাপে খেলার সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল এবং এ নিয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা চলছে। তবে আসিয়ানে খেলা সম্ভব না হলে বিকল্প পরিকল্পনাও তৈরি রাখা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে ঢাকায় মালদ্বীপ, মঙ্গোলিয়া ও চাইনিজ তাইপেকে নিয়ে চার জাতি টুর্নামেন্ট কিংবা কিরগিজস্তানে তিন জাতির টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারে বাংলাদেশ।
এ বিষয়ে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তবে জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ টমাস ডুলি টুর্নামেন্ট সম্পর্কে বলেন, “আসিয়ানে খেলার সুযোগ পাওয়া আমাদের জন্য ইতিবাচক হবে। তবে ঘরের মাঠে খেলা হলেও ভালো হতো, কারণ আসন্ন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আগে দেশের দর্শকরা মাঠে থেকে দলকে সমর্থন দিতে পারত।”
বাফুফে সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, আগামী দুই-একদিনের মধ্যেই আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়টি চূড়ান্ত হতে পারে।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











