বাংলাদেশ সফরে ভারতীয় ক্রিকেট দলের আগমন নির্ভর করছে ভারত সরকারের অনুমোদনের ওপর
বাংলাদেশ ও ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি ও বিসিসিআই) মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক দুই বছর ধরে শিথিল অবস্থায় রয়েছে। বিশেষত গত বছর আইপিএল থেকে বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের ক্রিকেটীয় টানাপোড়েন আরও দৃশ্যমান হয়ে ওঠে। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে আইসিসির ভবিষ্যৎ সফরসূচি (এফটিপি) অনুযায়ী নির্ধারিত দ্বিপাক্ষিক সিরিজগুলোতেও।
আইসিসির পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, গত বছরের আগস্টে ভারতীয় ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফরে আসার কথা থাকলেও নিরাপত্তাজনিত অজুহাতে সেই সফরটি পিছিয়ে চলতি বছরের আগস্টে পুনর্নির্ধারণ করা হয়। তবে সংশোধিত সূচি অনুযায়ী খেলা মাঠে গড়ানো নিয়ে নতুন করে সংশয় দেখা দিয়েছে। সফরটি বাস্তবায়নের বিষয়ে ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ড (বিসিসিআই) এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রকাশ করেনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সফরটি আয়োজনের ক্ষেত্রে বিসিসিআই এককভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। ভারতে সরকারি অনুমোদন ছাড়া দল পাঠানোর কোনো সুযোগ নেই। ফলে বিসিসিআই খুব দ্রুতই আনুষ্ঠানিকভাবে নয়াদিল্লির কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অনুমতির আবেদন জানাতে যাচ্ছে।
বিসিসিআই সূত্রে জানা গেছে, সফরটি ঘিরে প্রয়োজনীয় কাজ চলমান রয়েছে এবং অনুমতি চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন পাঠানো হবে। তবে এখনো পর্যন্ত ভারতীয় বোর্ডের পক্ষে চূড়ান্ত কিছু নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। সরকারি নির্দেশনা ও অনুমোদন সাপেক্ষেই সব চূড়ান্ত হবে।
এদিকে সফর নিশ্চিত করতে বিসিবির পক্ষ থেকে বিসিসিআইকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে। সফরটি বাস্তবায়নে দুই ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ও ইতিবাচক আলোচনা চলছে বলে বিসিবি সূত্র দাবি করেছে। ফলে খুব দ্রুতই কোনো ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসার আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
বিসিবির প্রস্তাবিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৯ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সিরিজটি সম্পন্ন করার প্রাথমিক খসড়া তৈরি করা হয়েছে। সফরে ৩টি একদিনের আন্তর্জাতিক (ওয়ানডে) এবং ৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে। পরিকল্পনা অনুয়াযী, আগামী ২৮ আগস্ট সফরকারীদের ঢাকায় পৌঁছানোর কথা এবং ১, ৩ ও ৬ সেপ্টেম্বর ওয়ানডে ও ৯, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর টি-টোয়েন্টি ম্যাচ আয়োজনের খসড়া রয়েছে। তবে পুরো বিষয়টির চাবিকাঠি এখন ভারত সরকারের গ্রিন সিগন্যালের ওপরই নির্ভর করছে।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











