ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ঘিরে মিথ্যাচার বন্ধের আহ্বান মাহদী আমিনের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যৌথ ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে উল্লেখ করে তা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি স্পষ্ট করে জানান, আলোচিত ছবিটি কোনো অসত্য মাধ্যমে তৈরি নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির কার্যালয় 'হোয়াইট হাউস' থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।
রবিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন এসব কথা বলেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের সমালোচনা
উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, ডিজিটাল মাধ্যমে লাইক, শেয়ার কিংবা রাতারাতি ভাইরাল হওয়ার উদ্দেশ্যে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর এক ধরনের ক্ষতিকর প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজনীতি বা সুস্থ সমাজব্যবস্থায় অপপ্রচার বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো কোনো সংস্কৃতির অংশ হতে পারে না।
তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের মধ্যকার এই সাক্ষাৎ অত্যন্ত স্বাভাবিক ও কূটনৈতিক শিষ্টাচারের অংশ। দুই নেতার মধ্যে আন্তরিক পরিবেশে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে। পরবর্তীতে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসও ছবিটি তাদের পেজে প্রকাশ করেছে। এর মাধ্যমে স্পষ্ট হয় যে, একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করছে।
পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভুল তথ্যের জবাব
সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের জড়িয়ে সাম্প্রতিক কয়েকটি গুঞ্জন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের একটি অনুষ্ঠান নিয়ে গুজব ছড়ানো হয়েছিল, যা আয়োজক কর্তৃপক্ষ শুরুতেই ভিত্তিহীন বলে পরিষ্কার করেছে।
পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমানের জাতিসংঘে চাকরি পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, জাইমা রহমান নিজস্ব মেধা ও যোগ্যতাবলে উক্ত পদে নিযুক্ত হয়েছেন। এর সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের কোনো ধরনের প্রশাসনিক সুপারিশ বা সম্পর্ক নেই। তা সত্ত্বেও একে সরকারি সুবিধাপ্রাপ্তি বলে ভুল তথ্য প্রচার করা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।
চাঁদাবাজির অভিযোগ নিয়ে সরকারের স্পষ্ট বার্তা
সম্প্রতি একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটরের তোলা চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রসঙ্গে মাহদী আমিন জানান, ঘটনাটির আসল পটভূমি ছিল একটি অবৈধ জায়গা ঘিরে সৃষ্ট দুই পক্ষের নিজস্ব বিরোধ। রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে এর কোনো যোগসূত্র পাওয়া যায়নি। তা সত্ত্বেও ভাঙচুরের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত হওয়ায় সরকার ইতিমধ্যে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে; মামলা দায়েরের পাশাপাশি আসামিদের গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি তদন্তাধীন থাকা সত্ত্বেও কোনো রাজনৈতিক দলের ওপর একতরফা দায় চাপানো অপপ্রচারেরই শামিল।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











