যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলায় আঞ্চলিক জ্বালানি ক্ষেত্রে আঘাত হানার হুঁশিয়ারি ইরানের
মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী পুনরায় সামরিক পদক্ষেপ নিলে তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। দেশটির পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি নতুন করে ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণের হুমকি বাস্তবায়ন করেন, তবে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের জ্বালানি অবকাঠামোতেও পাল্টা আঘাত হানা হবে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি তুর্কি, পাকিস্তানি ও সৌদি কর্তৃপক্ষের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফোনালাপে স্পষ্ট জানিয়েছেন যে যেকোনো ধরনের "উস্কানিমূলক পদক্ষেপের" উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। কূটনৈতিক যোগাযোগের পাশাপাশি ইরানের শীর্ষ সামরিক ও নিরাপত্তা পরিষদসংলগ্ন সংবাদমাধ্যম নূরনিউজ এক হুঁশিয়ারিতে জানায়, ইরানের জ্বালানি খাতে হামলা হলে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার এবং ইসরায়েলের তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রে পাল্টা হামলা চালিয়ে তা ভস্মীভূত করা হবে।
সম্প্রতি কুয়েত সেনাবাহিনী তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করা বেশ কিছু ইরানি ড্রোন ধ্বংস করার কথা নিশ্চিত করেছে। ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে কুয়েতের উত্তরাঞ্চলের একটি সরকারি স্থাপনা ও বুবিয়ান দ্বীপের একটি বেসামরিক সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে এই সংঘাতের প্রভাবে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ওমান উপকূলে কয়েকটি ট্যাঙ্কারে রহস্যজনক বিস্ফোরণ ও হামলার ঘটনায় বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা আরো সংকটের মুখে পড়েছে। ট্রাম্পের প্রশাসন একদিকে সমঝোতার সম্ভাবনার কথা বললেও সামরিক পদক্ষেপের পথও খোলা রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে, যার ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ব্যাপক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











