ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের মধ্যেও হরমুজ প্রণালিতে এলএনজি ট্যাংকার চলাচল বৃদ্ধি

১০ জুলাই ২০২৬ - ১৭:২৯
2 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের মধ্যেও হরমুজ প্রণালিতে এলএনজি ট্যাংকার চলাচল বৃদ্ধি
উপকূলে নোঙর করা একটি জাহাজ (ছবি সংগৃহীত)

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা ও সংঘাত তৈরি হলেও হরমুজ প্রণালি দিয়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহনকারী ট্যাংকার চলাচল আগের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিভিন্ন বৈশ্বিক জাহাজ ট্র্যাকিং সংস্থার উপাত্ত বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, কাতার, চীন ও গ্রিসসহ বেশ কয়েকটি দেশের অন্তত পাঁচটি খালি এলএনজি ট্যাংকার এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটিতে প্রবেশ করেছে।

​জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলার এবং এলএসইজি-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত দুই দিন ধরে চলা দুই দেশের সংঘাতের মধ্যেই এই ট্যাংকারগুলো প্রণালিতে প্রবেশ করে। এসব জাহাজের তালিকায় রয়েছে গ্রিক শিপিং প্রতিষ্ঠান গ্যাস্লগের মালিকানাধীন ‘গ্যাস্লগ সাংহাই’। এছাড়া কাতারএনার্জির সঙ্গে সম্পৃক্ত আল সামরিয়া, আল দাফনা, আল গাত্তারা ও আল রায়ান নামের চারটি জাহাজও এই তালিকায় রয়েছে।

​এদিকে জাপানের পরিবহনমন্ত্রী ইয়াসুশি কানেকো এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, ৭ থেকে ৯ জুলাইয়ের মধ্যে ওমান ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের ওই প্রণালি পার হওয়া ছয়টি বড় অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকারসহ টোকিওর স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট মোট ২২টি বাণিজ্যিক জাহাজ নিরাপদ অবস্থানে চলে যেতে সক্ষম হয়েছে।

​তবে সংঘাতের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ পরিচালনা করে ক্রুদের জীবন সংকটে ফেলার অভিযোগে থাইল্যান্ডের একটি শিপিং কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে শুক্রবার আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের মার্চ মাসে এই প্রণালিতেই ‘ময়ূরী নারী’ নামক একটি জাহাজ হামলার শিকার হয়েছিল। সেই ঘটনায় জাহাজে থাকা তিনজন ক্রু প্রাণ হারান। পরে বাকি ২০ জনকে প্রায় এক সপ্তাহ পর উদ্ধার করে থাইল্যান্ডে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। বেঁচে ফেরা ক্রুদের মধ্যে তিনজন শুক্রবার বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন।

​পারস্য উপসাগরে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সেখানে আটকে পড়া নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি এশিয়ার দেশগুলোর জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ভারত, ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডের মতো দেশগুলো এই সংকটে বেশি চিন্তিত, কারণ বৈশ্বিক বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর ক্রু বা নাবিকদের একটি বড় অংশই এসব দেশের নাগরিক।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0