সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে কেন্দ্রীয় শক্তিশালী সংস্থা গঠনের উদ্যোগ দক্ষিণ কোরিয়ার
সরকারি ও বেসরকারি—উভয় খাতের সুরক্ষায় সাইবার নিরাপত্তায় একটি সমন্বিত কেন্দ্রীয় সংস্থা গঠনের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং। মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি দেশের বর্তমান সাইবার নিরাপত্তা কাঠামোর নানা সীমাবদ্ধতার কথা তুলে ধরে এই শক্তিশালী সংস্থা গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।
বৈঠকে প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং উল্লেখ করেন, বর্তমানের নিরাপত্তাব্যবস্থা প্রধানত হামলা সংঘটিত হওয়ার পরের পদক্ষেপ ও আনুষ্ঠানিক পরিদর্শনের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হচ্ছে। এর ফলে সরকারি বিভিন্ন জরুরি সেবা ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে দুর্বলতা থেকে যাচ্ছে।
এই পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি সরকারি এবং বেসরকারি খাতকে সঙ্গে নিয়ে একটি সমন্বিত টাস্কফোর্স গঠনের বিষয়টি বিবেচনার পরামর্শ দেন। একইসঙ্গে বিভিন্ন সংস্থায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা নিরাপত্তা কার্যক্রমগুলো নিবিড়ভাবে তদারকি ও পরিচালনার জন্য একক শক্তিশালী অভিভাবক সংস্থা তৈরির তাগিদ দেন।
সম্প্রতি ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠান ‘বাইন্যান্স’-এ বিলিয়ন ডলারের চুরির ঘটনার প্রসঙ্গটি উল্লেখ করেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট। তবে এই ঘটনায় তিনি সরাসরি প্রতিবেশী উত্তর কোরিয়ার নাম নেননি। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (এফবিআই) এই সাইবার হামলার পেছনে উত্তর কোরিয়াকে দায়ী করলেও, পিয়ংইয়ং মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তা আনুষ্ঠানিকভাবে অস্বীকার করেছে।
এদিকে ইয়োনহাপ সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইতোমধ্যে সরকারের দুই হাজার ১০০টিরও বেশি মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার অফিস ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে জরুরি নিরাপত্তা পরীক্ষা চালানো শুরু করেছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দেশটির একাধিক আর্থিক খাত সাইবার আক্রমণের শিকার হয়েছে। এর আগেও ব্যাংক, ক্রিপ্টো প্রতিষ্ঠান ও সরকারি নেটওয়ার্কে একের পর এক হামলার জন্য উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের দায়ী করা হয়েছিল।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











