ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ল ২০৩১ পর্যন্ত, ট্রাম্পের সই

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ - ১৩:৪১
2 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ল ২০৩১ পর্যন্ত, ট্রাম্পের সই
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়িয়ে ২০৩১ সাল পর্যন্ত কার্যকর রাখার এক বিলে স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই আইনের অধীনে রাশিয়ার বিরুদ্ধেও অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ ও নতুন ধরনের অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ জারির সুযোগ রাখা হয়েছে।

​হোয়াইট হাউসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ‘লিন্ডসে ও. গ্রাহাম স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট অব ২০২৬’ (এইচআর ৫৩৩৪) বিলে চূড়ান্ত সম্মতি দিয়েছেন। এর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালে প্রণীত ‘ইরান স্যাংশনস অ্যাক্ট’-এর মেয়াদ অতিরিক্ত পাঁচ বছরের জন্য বাড়ানো হলো।

নিষেধাজ্ঞার আওতা ও পরিধি

নতুন বিলে তেহরানের ওপর নতুন করে কোনো বাড়তি বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি; তবে বিদ্যমান আইনের মেয়াদ বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটির জ্বালানি খাতের ওপর মার্কিন নজরদারি ও আইনি ব্যবস্থা বহাল থাকছে। ফলে ইরানের পেট্রোলিয়াম কেনাবেচা, পরিবহন, অর্থায়ন, বিমা সুবিধা প্রদান কিংবা জ্বালানি সম্পর্কিত প্রকল্পে বিনিয়োগের সঙ্গে যুক্ত বিদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিতে পারবে।

​এক প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপে ক্ষোভ প্রকাশ করে নিষেধাজ্ঞাগুলোকে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ বলে বর্ণনা করেছে ইরান। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, তেহরানের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই যায় চীনে। এর আগে ইরানের তেল কেনাবেচা ও পরিবহনে যুক্ত থাকার অভিযোগে ভারত, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং হংকংয়ের একাধিক জ্বালানি ব্যবসায়ী ও জাহাজ পরিচালনা সংস্থার ওপর বিধিনিষেধ জারি করেছিল ওয়াশিংটন।

প্রভাব ও আইনি পটভূমি

যুক্তরাষ্ট্রের এই বিধিনিষেধের আওতায় পড়া ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মার্কিন সীমানায় থাকা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হতে পারে। পাশাপাশি তাদের মার্কিন আর্থিক ব্যবস্থা ব্যবহার এবং ডলারে আন্তর্জাতিক লেনদেনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আসার ঝুঁকি রয়েছে।

​এই আইনটির নাম দেওয়া হয়েছে প্রয়াত রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের স্মরণে, যিনি চলতি বছরের জুলাইয়ে মারা যান এবং বিলটি পাসে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন। আইনটি অনুমোদনের ফলে আগামী পাঁচ বছর ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখা বিশ্বের যেকোনো তৃতীয় দেশের প্রতিষ্ঠান বা ব্যাংকের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পরোক্ষ নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি বহাল থাকবে।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0