বিসিবির চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ালেন আম্পায়ার সৈকত, ব্যাখ্যা দিল বিসিবি

০৪ আগস্ট ২০২৬ - ২০:১৯
2 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
বিসিবির চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ালেন আম্পায়ার সৈকত, ব্যাখ্যা দিল বিসিবি
আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) চুক্তি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) এলিট প্যানেল আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত। বিসিবি তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছে। তবে আম্পায়ার সৈকতের সরে দাঁড়ানো নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পদত্যাগের বিষয়টি স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেছে বিসিবি।

​মঙ্গলবার (৪ আগস্ট ২০২৬) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতের সঙ্গে বোর্ডের পূর্ববর্তী চুক্তির মেয়াদ মূলত ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে শেষ হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে তা ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। বর্ধিত মেয়াদের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর চুক্তির মেয়াদ আর বাড়ানো হয়নি। ফলে স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই এই আম্পায়ার বোর্ডের চুক্তি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

​বিসিবি আরও উল্লেখ করে, আইসিসির এলিট প্যানেল আম্পায়ার হিসেবে শরফুদ্দৌলা সৈকতের আন্তর্জাতিক ব্যস্ততা দিন দিন বাড়ছে। ফলে বিসিবির অধীনে আগে যেভাবে তিনি নিয়মিত আম্পায়ারিং করতেন, সেই সুযোগ কমে এসেছে। সার্বিক দিক বিবেচনায় উভয়ের সম্মতিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

​বোর্ড তাদের বিবৃতিতে জানায়, অন্যান্য পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মতো এলিট প্যানেল আম্পায়ারদের বোর্ডের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে রাখা বাধ্যতামূলক কোনো রীতি নয়। মূলত জাতীয় বোর্ডের সূচি ও আন্তর্জাতিক ম্যাচের সময়সূচির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা কঠিন বলেই এমন ব্যবস্থা। তবে বিসিবি জানিয়েছে, সৈকতের সময় ও প্রাপ্যতা অনুযায়ী তাকে ভবিষ্যতেও ঘরের মাঠে দ্বিপাক্ষিক আন্তর্জাতিক সিরিজ এবং ঘরোয়া প্রথম শ্রেণী, লিস্ট ‘এ’ ও টি-টোয়েন্টি লিগগুলোতে আম্পায়ারিংয়ের দায়িত্ব প্রদান করা যাবে। যেমন—চুক্তির মেয়াদ এপ্রিলে শেষ হলেও গত জুনে অনুষ্ঠিত অস্ট্রেলিয়া সিরিজের টি-টোয়েন্টি ম্যাচে তাকে আম্পায়ারিংয়ের দায়িত্ব দিয়েছিল বিসিবি।

​উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের এপ্রিলে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়ের সঙ্গে তর্কে জড়ানো এবং পরবর্তীতে শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে হৃদয়ের ওপর আরোপিত শাস্তি বিসিবি বাতিল করায় ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন সৈকত। বোর্ডের এই হস্তক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি ঘরোয়া ক্রিকেটে আম্পায়ারিং না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সম্প্রতি তার পদত্যাগের পেছনে ওই পুরোনো ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুঞ্জন উঠলেও বিসিবি বিষয়টি চুক্তির স্বাভাবিক সমাপ্তি বলেই নিশ্চিত করেছে।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0