নোবেল শান্তি পুরস্কারের সিদ্ধান্তকে ঘিরে ট্রাম্পের অসন্তোষ, শেয়ার করলেন সমালোচনামূলক পোস্ট
দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক বিচারক নাভেনথাম নাভি পিল্লাই চলতি বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। নরওয়ের নোবেল কমিটির এই ঘোষণার পর বৈশ্বিক রাজনীতি ও কূটনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এ সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি সমালোচনামূলক পোস্ট শেয়ার করেছেন।
ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া ও শেয়ার করা পোস্ট
পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে নাভি পিল্লাইয়ের নাম প্রকাশের পর ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে কোনো সরাসরি মন্তব্য করেননি। তবে মার্কিন আইনজীবী ডেভিড স্কলনের ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া একটি বক্তব্য নিজের আইডি থেকে পুনরায় পোস্ট করেন তিনি। ওই পোস্টে নোবেল কমিটির সিদ্ধান্তকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করা হয়েছে।
ডেভিড স্কলন তাঁর পোস্টে দাবি করেন, নাভি পিল্লাইকে এই মর্যাদা দিয়ে নোবেল কমিটি নিজস্ব ভাবমূর্তি ও পুরস্কারের ঐতিহাসিক গুরুত্বকে ক্ষুণ্ন করেছে। তিনি পিল্লাইকে প্রকাশ্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন এবং অভিযোগ করেন যে, দায়িত্ব পালনকালে তিনি চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন জানিয়েছেন। পাশাপাশি অতীতে ফিলিস্তিনি নেতা ইয়াসির আরাফাতকে নোবেল দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনেও কমিটির সমালোচনা করেন তিনি।
ট্রাম্পের অবদানের দাবি
শেয়ার করা সেই পোস্টে স্কলন আরও লেখেন, আন্তর্জাতিক শান্তিতে ট্রাম্পের ভূমিকা অনন্য। ঐতিহাসিক আব্রাহাম চুক্তি স্বাক্ষর, মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিককরণ, জিম্মিদের ফিরিয়ে আনা এবং ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ট্রাম্পের পদক্ষেপগুলোই নোবেল পাওয়ার প্রকৃত যোগ্যতা তৈরি করে।
উল্লেখ্য, বিগত দুই বছর ধরে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের অন্যতম দাবিদার হিসেবে উল্লেখ করে আসছিলেন। এ বছর চূড়ান্ত নাম ঘোষণার পূর্বেও তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, যদিও শেষ পর্যন্ত জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক সাবেক হাইকমিশনার নাভি পিল্লাইকেই বিজয়ী বেছে নেয় নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











