ওয়ান্টেড’ সাফল্যের পর কেন বলিউড থেকে দূরে সরে যান আয়েশা টাকিয়া?
মাত্র ১৫ বছর বয়সে মিউজিক ভিডিও দিয়ে বিনোদন জগতে পা রেখেছিলেন আয়েশা টাকিয়া। এরপর ২০০৪ সালে ‘টারজান: দ্য ওয়ান্ডার কার’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বলিউডে তার অভিষেক ঘটে। প্রথম ছবিতেই নিজের অভিনয় দক্ষতা প্রমাণ করে তিনি অর্জন করে নেন ফিল্মফেয়ারের শ্রেষ্ঠ নবাগত অভিনেত্রীর পুরস্কার। পরবর্তী সময়ে ‘ডোর’, ‘সোচা না থা’ এবং ২০০৯ সালে সালমান খানের বিপরীতে সুপারহিট ‘ওয়ান্টেড’ সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকমহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়ান তিনি। তবে সাফল্যের এই চূড়ায় থাকার সময়ই রূপালি পর্দা থেকে ধীরে ধীরে গুটিয়ে নেন নিজেকে।
বিনোদন জগৎ থেকে পারিবারিক জীবন
কিশোরী বয়সে মডেলিং দিয়ে পথচলা শুরু করা আয়েশা ফাল্গুনী পাঠকের ‘মেরি চুনার উড় উড় যায়’ এবং ‘শেক ইট ড্যাডি’র মতো জনপ্রিয় মিউজিক ভিডিওতে কাজ করে পরিচিতি পান। ‘ওয়ান্টেড’ সিনেমাটি বক্স অফিসে তুমুল সাফল্য পাওয়ার ঠিক আগে, ২০০৯ সালের ১ মার্চ মাত্র ২২ বছর বয়সে রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী ফারহান আজমিকে বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের পর অভিনয় থেকে মনোযোগ সরিয়ে পারিবারিক জীবন এবং স্বামীর ব্যবসা পরিচালনার কাজে যুক্ত হন এই অভিনেত্রী। ২০১১ সালে নাগেশ কুকুনূরের ‘মোড়’ সিনেমায় তাকে শেষবার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল।
আলোচনা-সমালোচনা ও বর্তমান ব্যস্ততা
বর্তমানে এক সন্তানের জননী আয়েশা টাকিয়া পরিবার ও রেস্তোরাঁ ব্যবসা নিয়েই দিন কাটাচ্ছেন। চলচ্চিত্রে দীর্ঘ বিরতি থাকলেও মাঝেমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার চেহারার পরিবর্তন নিয়ে নানা বিতর্ক ও নেটিজেনদের সমালোচনার মুখে পড়তে দেখা যায় তাকে। তবে এসব কটাক্ষ কিংবা চর্চা নিয়ে কখনোই খুব একটা মুখ খোলেননি তিনি। সব সাফল্য ও সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও আয়েশা এখন লাইমলাইটের বাইরে নিজের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনকেই মূল অগ্রাধিকার হিসেবে বেছে নিয়েছেন।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











