হুমায়ূন আহমেদের অনুপ্রেরণায় নির্মাণে নাজনীন হাসান খান, শোনালেন পথচলার গল্প

১১ আগস্ট ২০২৬ - ১৫:২১
2 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
হুমায়ূন আহমেদের অনুপ্রেরণায় নির্মাণে নাজনীন হাসান খান, শোনালেন পথচলার গল্প
ছবি সংগৃহীত

গৃহিণী কিংবা নির্মাতা—পরিচয়ের গণ্ডি পেরিয়ে সংস্কৃতির বৈচিত্র্যময় অঙ্গনে নিজ কাজের মাধ্যমে ভূমিকা রেখে চলছেন নাজনীন হাসান খান। দায়িত্ববোধ ও নানারকম সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে যুক্ত রাখা এই নির্মাতা সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের বিশেষ অনুষ্ঠান 'এনটিভির নিমন্ত্রণে' অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে নিজের জীবন ও নির্মাণের পেছনের পথচলার নানা স্মৃতি শেয়ার করেন।

​অনুষ্ঠানে নির্মাতা হিসেবে আত্মপ্রকাশের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে নাজনীন হাসান খান জানান, কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের সান্নিধ্যে আসার পর থেকেই মূলত নাটক পরিচালনার প্রতি তাঁর আগ্রহ তৈরি হয়। মূলত সেখান থেকেই তিনি নাট্যনির্মাণের মূল অনুপ্রেরণা ও প্রথম দিকনির্দেশনা পান।

​শৈশবের স্বপ্নের কথা জানাতে গিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, মাত্র পাঁচ বছর বয়স থেকেই তাঁর গানের চর্চা শুরু হয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশ একাডেমি অব ফাইন আর্টস (বাফা) থেকে নজরুলসংগীতের ওপর প্রাতিষ্ঠানিক সনদও অর্জন করেন। সেসময় তাঁর ইচ্ছে ছিল পেশাদার সংগীশিল্পী হওয়া, তবে সময়ের পরিক্রমায় আজ তিনি নির্মাতার ভূমিকায় অবস্থান করছেন।

​পরিচালনায় পদার্পণের প্রক্রিয়াটি শুরু হয়েছিল মূলত চিত্রনাট্য রচনার মধ্য দিয়ে। ২০১০ সালের পূর্বের স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, তাঁর লেখা প্রথম নাটক পরিচালনা করেছিলেন অভিনেত্রী ও নির্মাতা রুমানা রশীদ ঈশিতা। চারপাশের চেনা সমাজ ও মানুষের জীবনের বৈচিত্র্যময় গল্পগুলো থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এবং হুমায়ূন আহমেদের সৃষ্টিকর্ম থেকে উদ্দীপনা পেয়েই তিনি পূর্ণাঙ্গভাবে পরিচালনা শুরু করেন।

​পরিশ্রমী এই নারী নির্মাতা আরও জানান, মিডিয়ায় নারীদের নেতৃত্ব দেওয়া নিঃসন্দেহে একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয়। দীর্ঘসময় কাজ করার পাশাপাশি সন্তান ও সংসারের দায়িত্ব সামলানো সহজ নয়। তবে এই পথচলায় তাঁর স্বামীর সার্বিক সহযোগিতা ও উৎসাহ তাঁকে সবসময় অনুপ্রাণিত করেছে।

​বিভিন্ন সম্মাননা অর্জন ও বিচারকের দায়িত্ব পালন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুরস্কারের উদ্দেশ্যে কেউ কাজ শুরু করে না; তবে কাজের স্বীকৃতি কাজের প্রতি দায়িত্ববোধ আরও বাড়িয়ে দেয়। বিচারকের ভূমিকা পালন করা জটিল হলেও বর্তমানের এই অভিজ্ঞতাগুলো তিনি দারুণভাবে উপভোগ করছেন। আলোচনার শেষাংশে তিনি পর্দার পেছনের কলাকুশলীদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0