প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে অস্বচ্ছ ভেরিফিকেশনের অভিযোগ নাহিদ ইসলামের
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পুলিশি বা গোয়েন্দা সংস্থা কর্তৃক ভেরিফিকেশনের নামে প্রহসন ও চরম অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক এবং জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি মন্তব্য করেন, "শিক্ষিত বেকারদের সবশেষ আশ্রয়স্থল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগেও চূড়ান্ত প্রহসনের নজির স্থাপন করেছে তারেক রহমানের সরকার।"
এক হাজার প্রার্থীর ভাগ্য অনিশ্চিত
নাহিদ ইসলাম বলেন, "গোয়েন্দা সংস্থার ভেরিফিকেশনের নামে নিয়োগপ্রাপ্ত অন্তত এক হাজার মেধাবী তরুণের স্বপ্নকে ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়েছে। লিখিত ও অন্যান্য ধাপের পরীক্ষায় মেধার প্রমাণ দেওয়ার পরও তাদের নিয়ে দীর্ঘ আট মাস ধরে চলেছে ভেরিফিকেশনের নামে এক অনিশ্চয়তা ও হয়রানির প্রক্রিয়া। শেষ পর্যন্ত এসব তরুণদের নিয়োগপত্র না দিয়ে গভীর হতাশার মধ্যে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।"
স্বচ্ছতার অভাব ও বৈষম্যের অভিযোগ
বাদ পড়া প্রার্থীর বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, বাদ পড়াদের অধিকাংশের বিরুদ্ধে থানায় কোনো ফৌজদারি মামলা কিংবা সাধারণ ডায়রির (জিডি) তথ্য নেই। অতীতে তাদের কোনো অপরাধমূলক বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার প্রমাণ মেলেনি। কোনো স্বচ্ছ, সুস্পষ্ট ও জবাবদিহিমূলক নীতিমালা না মেনে তাদের নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, "মেধা, যোগ্যতা ও পরীক্ষার সব ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করার পরও যদি কোনো নাগরিককে অস্বচ্ছ ভেরিফিকেশনের ভিত্তিতে চাকরি থেকে বঞ্চিত করা হয়, তাহলে তা শুধু সংশ্লিষ্ট তরুণদের প্রতি অবিচার নয়, বরং রাষ্ট্রের নিয়োগ ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।"
অবিলম্বে নিয়োগের দাবি
পরিস্থিতি নিরসনে এনসিপির এই আহ্বায়ক স্পষ্ট দাবি জানিয়ে বলেন, "যাদের বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট ও আইনসম্মত অভিযোগ নেই, এমন প্রত্যেক নিরপরাধ প্রার্থীর নিয়োগ অবিলম্বে নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া ও ভেরিফিকেশনের মানদণ্ড জনসমক্ষে স্পষ্ট করতে হবে।"
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











