ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টি-টোয়েন্টি সিরিজ: সামাজিক মাধ্যমে হোপ-গিলের কথার লড়াই ও বোলিংয়ের চ্যালেঞ্জ

১১ অক্টোবর ২০২৬ - ১১:৩৬
2 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টি-টোয়েন্টি সিরিজ: সামাজিক মাধ্যমে হোপ-গিলের কথার লড়াই ও বোলিংয়ের চ্যালেঞ্জ
ছবি: সংগৃহীত

গোহাটিতে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ভারতের রেকর্ড গড়ে ম্যাচ জেতার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে শুভমান গিল লিখেছিলেন, ‘৪০৬? কুল!’। ঠিক ৯ দিন পর রাঁচিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ২৫০ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করে জয় ছিনিয়ে নেওয়ার পর শাই হোপের পাল্টা জবাব ছিল—‘২৫০? কুল!’।

​সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই বাগ্‌যুদ্ধ ও রসিকতার আড়ালে মূলত ফুটে উঠেছে চলতি সিরিজের ব্যাটিংবান্ধব উইকেটের আসল চিত্র। ফ্ল্যাট পিচে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের রানের জোয়ার রুখতে ঘাম ঝরাতে হচ্ছে বোলারদের। ইন্দোরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া পরের ম্যাচেও যে আরেকটি হাই-স্কোরিং ম্যাচ অপেক্ষা করছে, তা স্পষ্ট।

​লক্ষ্ণৌতে শ্রেয়াস আইয়ারের অপরাজিত ১০২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ৮ উইকেটের সহজ জয় পেয়েছিল ভারত। এরপরই রাঁচিতে শাই হোপের অপরাজিত দুর্দান্ত শতকে ভর করে বিশাল লক্ষ্য তাড়া করে সিরিজে সমতায় ফেরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাওয়ার প্লের প্রথম ৬ ওভারের মধ্যে ৩ উইকেট হারানোর পরও ২৫০ রান তাড়া করে জেতা ক্যারিবীয়দের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। অন্যদিকে, বড় লক্ষ্য দেওয়ার পরও তা ডিফেন্ড করতে না পারার দুর্বলতা ভাবাচ্ছে স্বাগতিক ভারতকে। ভারতের হেড কোচ গৌতম গম্ভীর ব্যাট ও বলের সঠিক ভারসাম্যের ওপর জোর দিয়েছেন। প্রতিকূল কন্ডিশনেও প্রতিপক্ষের ব্যাটিং স্তম্ভে কীভাবে লাগাম টানা যায়, বোলারদের সেই পথ খোঁজার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

​উভয় দলের জন্যই বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ক্যাচিং ও ফিল্ডিংয়ের অসাবধানতা। ২০২৫ সালের শুরু থেকে হিসাব করলে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ক্যাচ ধরে রাখার হারে সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা দলগুলোর তালিকায় রয়েছে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। রাঁচিতে শেরফেন রাদারফোর্ডের ক্যাচ মিস করার খেসারত ভালোভাবেই দিতে হয়েছে ভারতকে। বাঁহাতি এই ব্যাটার ৩৭ বলে ৮৪ রানের এক প্রলয়ংকরী ইনিংস খেলে ম্যাচ বের করে নেন। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সাল থেকে পূর্ণ সদস্য দলগুলোর মধ্যে ফিল্ডিংয়ের অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডে সবার ওপরে রয়েছে ভারত। এই সময়ে সর্বোচ্চ ৭৯টি ক্যাচ মিস, সবচেয়ে বেশি ১৬৮টি মিসফিল্ড, যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১০টি ওভারথ্রো, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪টি স্টাম্পিং মিস এবং ৯৫টি রান-আউটের সুযোগ হাতছাড়া করেছে তারা, যা তাদের ফিল্ডিংয়ের চরম শৃঙ্খলার অভাব ফুটিয়ে তোলে।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0