সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরুর বিভাজন নয়, নাগরিক পরিচয়ই মুখ্য: মাহদী আমিন

১০ অক্টোবর ২০২৬ - ১৫:২৩
2 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরুর বিভাজন নয়, নাগরিক পরিচয়ই মুখ্য: মাহদী আমিন
ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশকে এমন এক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে, যেখানে সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু পরিচয়ের চেয়ে নাগরিক পরিচয়কে প্রধান মনে করা হবে। রাজধানীর বনানী মাঠে গুলশান-বনানী সর্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘মহালয়া ১৪৩৩’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এই বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

​শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ভোর ৬টার দিকে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলে আয়োজক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাকে শুভেচ্ছা জানান। পরে বিশেষ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গাপূজার ক্ষণগণনা ও শুভ সূচনা হয়।

​অনুষ্ঠানে মাহদী আমিন বলেন, ধর্ম, বর্ণ বা আদর্শের ভিন্নতা ছাপিয়ে প্রতিটি মানুষের মূল পরিচয় হওয়া উচিত 'বাংলাদেশি'। রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সমান অধিকার নিশ্চিত করার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তির জয় নিশ্চিত করাই মহালয়ার মূল বার্তা।

​সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে এবার সরকারি ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রতিটি পূজামণ্ডপে আর্থিক বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। দেশের উন্নয়ন ও রাষ্ট্র পুনর্গঠনে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

​উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শ্রী বিজন কান্তি সরকার, ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার পবন কুমার বাধে, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান শ্রী তপন কান্তি মজুমদার, গুলশান-বনানী সর্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের সভাপতি শ্রী অলোক সাহা এবং সাধারণ সম্পাদক শ্রী বিনয় গোপাল রায়।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0