অনুমোদনের বাইরে মজুত করায় : সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪টি ওয়্যারহাউস সিলগালা
রাজধানীর দক্ষিণ গুলশানে অনুমোদিত সীমার বাইরে গোপন গুদামে শুল্কমুক্ত মদ মজুত রাখার অভিযোগে 'টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেড'-এর চারটি ওয়্যারহাউস সিলগালা করেছে যৌথ বাহিনী। প্রতিষ্ঠানটির মালিক কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুর শেখ নুর ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টা থেকে শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটা পর্যন্ত কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর (সিআইআইডি), মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১ (এসআরবি-১) যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিদেশি কূটনীতিকদের শুল্কমুক্ত অ্যালকোহল সরবরাহের লাইসেন্সপ্রাপ্ত এ প্রতিষ্ঠানটির কাগজে-কলমে অনুমোদিত গুদাম ছিল দুটি। তবে অভিযানে দেখা যায়, অনুমোদন ছাড়াই তারা মোট চারটি গুদামে পণ্য মজুত করে আসছিল। বন্ড সুবিধার শুল্কমুক্ত পণ্য খোলাবাজারে অবৈধভাবে বিক্রি রোধ এবং সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে দুটি বৈধসহ চারটি ওয়্যারহাউসই তাৎক্ষণিকভাবে সিলগালা করা হয়েছে।
এদিকে এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) ও আয়কর গোয়েন্দা ইউনিট সূত্রে জানা গেছে, শেখ নুর ইসলাম, তার স্ত্রী শীলা ইসলাম ও মেয়ে তাসনিম ইসলামের কানাডার নাগরিকত্ব এবং অন্তত চারটি কোম্পানির মালিকানার তথ্য বাংলাদেশের কর নথিতে গোপন রাখা হয়েছিল। ২০১২ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ১৬৩টি আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় তাদের এক বছরে প্রায় ৯৫ কোটি টাকা রেমিট্যান্স আনার প্রমাণ মিলেছে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কর ফাঁকি ও শুল্কমুক্ত মদ খোলাবাজারে বেচাকেনার বিষয়ে দীর্ঘ দিন ধরেই অনুসন্ধান চলছিল। তবে গত ২৬ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ মানিকদীতে একটি আবাসন প্রকল্পে হামলার পর সালমান মুক্তাদির লাইভে এসে বক্তব্য দেওয়া এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) তার ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করার পর থেকে সার্বিক তদন্ত প্রক্রিয়ার গতি বেড়েছে।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











