পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনীর কড়া অভিযান: গ্রাম অবরুদ্ধ, নেরিয়ার সুস্থতা কামনায় নেতানিয়াহু
ফিলিস্তিনের দখলকৃত পশ্চিম তীরের বেইত উর আল-তাহতা ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এলাকাটিতে অবরুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় স্থানীয় অধিবাসীদের স্বাভাবিক চলাচল এবং ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সব ধরনের সামাজিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়েছে।
এদিকে হামলায় গুরুতর আহত নেরিয়া লেইটারের আশু আরোগ্য ও সুস্থতা কামনা করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সামাজিক মাধ্যমে দেয়া এক বার্তায় তিনি জানান, সম্প্রতি তিনি নেরিয়ার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এবং তার সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছেন। পূর্বের অপর এক বার্তায় নেতানিয়াহু জানান, তিনি, তার স্ত্রী সারা এবং পুরো ইসরায়েলি জনগণ নেরিয়ার দ্রুত আরোগ্যের জন্য অলৌকিক কিছুর আশা করছেন।
পারিবারিক ট্র্যাজেডি ও সামরিক অবরোধ
আহত নেরিয়ার পিতা ইয়েখিয়েল লেইটারের পরিবারে এটিই প্রথম ট্র্যাজেডি নয়। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই, একই বছরের নভেম্বরে গাজায় সামরিক দায়িত্ব পালনকালে তার অপর ছেলে ৩৯ বছর বয়সী মোশে ইয়েদিদিয়া নিহত হন।
অন্যদিকে, ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে সন্দেহভাজন হামলাকারী হিসেবে ২৯ বছর বয়সী মাহমুদ মোহাম্মদ মাহমুদ সুলাইমানের নাম প্রকাশ করেছে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সুলাইমানের মরদেহ বর্তমানে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের হেফাজতে রয়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা এএফপির তথ্যমতে, ঘটনার পর থেকে বেইত উর আল-তাহতাসহ সংলগ্ন এলাকাগুলোতে তল্লাশি জোরদার করেছে ইসরায়েলি সেনারা। অভিযানে তারা সন্দেহভাজন সুলাইমানের বাড়িসহ আরও একাধিক বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে।
পরিস্থিতি বর্ণনা করতে গিয়ে বেইত উর আল-তাহতার মেয়র হাজেম সুলাইমান জানান, নিহত মাহমুদের সঙ্গে তার কোনো পারিবারিক সম্পর্ক নেই। ইসরায়েলি বাহিনী গ্রামের প্রতিটি প্রবেশপথ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ায় এলাকাটি এখন অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে এবং সেখানে স্বাভাবিক জীবনযাত্রার কোনো চিহ্ন অবশিষ্ট নেই।
সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে
লাইক
0
অপছন্দ
0
ভালোবাসা
0
হাসি
0
বিস্ময়
0
দুক্ষ
0
রাগ
0











