গাংনীতে মামলার প্রতিবাদে গ্রামবাসীর সংবাদ সম্মেলন

11 জুন 2026 - 16:35
প্রকাশিত: 2 দিন আগে
0 8
গাংনীতে মামলার প্রতিবাদে গ্রামবাসীর সংবাদ সম্মেলন
গাংনিতে সাংবাদিক সম্মেলনে গ্রামবাসী

গাংনী (মেহেরপুর) প্রতিনিধি: পূর্বশত্রুতারজের  ধরে মিথ্যা গরুচোর আখ্যা দিয়ে মিলন হোসেন নামের এক যুবককে মধ্যযুগীয় কায়দায় পিটিয়ে পুলিশের সপর্দ করেছে  একটি কুচক্রিম হল। এদিকে পুলিশ ও গুরুতর আহত যুবককে চিকিৎসা না দিয়ে  জেলা হাজতে প্রেরণ নিয়ে এলাকার মানুষ ক্ষোভে  ফুসে উঠেছে।এঘটনা তদন্ত ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।ওই মামলার পুলিশ কর্মকর্তা ও কুচক্রী মহলের বিচার দাবি করেছেন এলাকাবাসী।  গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে পাকুরিয়া গ্রামের তিন রাস্তার মোড় এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ  সম্মেলন করে  এদাবী জানান তারা। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার গাংনীয় উপজেলার পাকুরিয়া গ্রামে। গুরুতর আহত যুবক জামিনে বেরিয়ে এসে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কা জনক বলে জানিয়েছেন  তার পরিবার। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে পাকুড়িয়া গ্রামের  ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন ও বিএনপি নেতা রুস্তম আলীহ অনেকে  বলেন,  পাকুরিয়া গ্রামের মোজাম্মেল হকের ছেলে  মিলন হোসেন সম্প্রতি বাঁশবাড়িয়া গ্রামে তার বোনের বাড়ি থেকে পাকুড়িয়া গ্রামের নিজ বাড়ীতে ফেরার পথে  গ্রামের ভিতর দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় পৃবপরিকল্পিত ভাবে ওই গ্রামের টর্নি,সাইমন মন্ডল, রিংকু,রাজু,মিঠুনসহ কয়েকজন পিস্তল হাতে তাকে অপহরণ করে ইদ্রিসের বাগানের মধ্যে নিয়ে যায়। পরে সাইমন মন্ডল মিলনের  মুখের ভিতর গামছা ঢুকিয়ে হাত-পা বেঁধে রাখে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে  চরম নির্যাতন করেছে।  এ সময় নির্যাতনের বিষয়টি প্রতিবেশী একজন দেখে ফেলাই পরে তাকে গরু চুরির  মিথ্যা অপবাদ দিয়ে পুলিশের কাছে সপর্দ করেছে। তারা আরও বলেন,মামলার বাদি মিঠুনের কোন গরুই ছিল না কিভাবে সে গরু চুরির মামলা করেছে। তবে ঘটনার পরের দিন  অন্যের একটি গরু নিয়ে এসে তার বাড়িতে বেঁধে রাখে। পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত না করে একতরফা ভাবে মিলনকে গরু চুরির মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে  অন্যায় ভাবে আদালতে পাঠিয়েছিল।গ্রামবাসিরা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ঘটনাটির  সুষ্ঠু তদন্তের  দাবি করেছেন। এব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই চয়ন সেন জানান,পাকুড়িয়া গ্রামের মিঠুনসহ কয়েকজন মিলনকে ধরে থানায় দিয়ে গেছে,গরু চুরির চেষ্টায় একটি মামলা হয়েছে।ঘটনাটি তদন্ত চলছে তদন্ত শেষে  প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। আহত ব্যক্তির ঘটনায় চিকিৎসার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি কোন উত্তর দিতে পারেননি।তিনি আরও বলেন, চিকিৎসা দেওয়ার কাগজপত্র আছে।সুস্থ  অবস্থায় মেহেরপুর আদালতে তাকে প্রেরণ করা হয়েছিলো। এব্যাপারে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাসের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে  তিনি ফোন ধরেনি।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0

মন্তব্য করুন (0)

User