আগামী ৫ বছরে সবার নিজস্ব এআই এজেন্ট থাকবে, দাবি মার্ক জাকারবার্গের

০২ আগস্ট ২০২৬ - ১০:৩৬
2 মি. পড়ার সময়
সংবাদ শুনুন প্লে করতে ক্লিক করুন
আগামী ৫ বছরে সবার নিজস্ব এআই এজেন্ট থাকবে, দাবি মার্ক জাকারবার্গের
মার্ক জাকারবার্গ। ছবি:সংগৃহীত

আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষের নিজস্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘এআই এজেন্ট’ থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্ক জাকারবার্গ। এই প্রযুক্তিগত দৌড়ে শীর্ষে থাকতে মেটা তাদের অর্জিত গচ্ছিত অর্থ বা ক্যাশ রিজার্ভের একটি বড় অংশ বিপুল পরিমাণে বিনিয়োগ করছে।

​প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, এআই এজেন্ট কেবল সাধারণ কোনো চ্যাটবটের মতো নয়। এটি মানুষের অনুপস্থিতিতেও তাদের পছন্দ ও লক্ষ্য বুঝে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন জটিল কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম।

​মেটার সাম্প্রতিক আয়সংক্রান্ত প্রতিবেদনে জাকারবার্গ জানান, অদূর ভবিষ্যতে প্রতিটি মানুষের নিজস্ব ব্যক্তিগত এআই এজেন্ট থাকবে, যা তাদের লক্ষ্য অর্জনে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাবে। আগামী দিনগুলোতে মেটার নতুন উদ্ভাবন এবং উপার্জনের প্রধান উৎস হবে এই ব্যক্তিগত এআই এজেন্টগুলো।

​তবে এ ধরনের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির বিকাশ ও 'লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (এলএলএম)' তৈরি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এ খাতে লাগামহীন বিনিয়োগের কারণে মেটার নগদ অর্থের প্রবাহে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটির ‘ফ্রি ক্যাশ ফ্লো’ বা মুক্ত নগদ প্রবাহ ৯১ শতাংশ কমে ৭৮ কোটি ৪০ লাখ ডলারে নেমে এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৮৫৫ কোটি ডলার। আয় অপেক্ষা ব্যয় বেশি হওয়ায় মেটার শেয়ারের দাম প্রায় ১০ শতাংশ কমে গেছে। পাশাপাশি ২০২৬ সালের মূলধনী ব্যয়ের সর্বনিম্ন পূর্বাভাসও বাড়িয়ে ১৩ হাজার কোটি ডলার করেছে মেটা।

​প্রযুক্তি খাতে এই বিশাল অঙ্কের বিনিয়োগে মেটা একা নয়; গুগলও এআই প্রতিযোগিতায় টিকতে গিয়ে গত ২২ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো নগদ অর্থসংকটে পড়েছে। গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট জানিয়েছে, তাদেরও দ্বিতীয় প্রান্তিকে আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি হয়েছে।

​জাকারবার্গ উল্লেখ করেন, তাদের লক্ষ্য কেবল কম্পিউটার ক্ষমতা ভাড়া দেওয়া নয়, বরং এআইভিত্তিক প্রযুক্তি ও সেবা বিক্রি করে দীর্ঘমেয়াদে বিপুল মুনাফা অর্জিত হবে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে মেটা এ বছর তাদের কম্পিউটিং সক্ষমতা দ্বিগুণ করে ৭ গিগাওয়াটে উন্নীত করছে, যা আগামী বছরের মধ্যে ১৪ গিগাওয়াটে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে মেটার ৩২টি ডেটা সেন্টার চালু রয়েছে বা নির্মাণাধীন অবস্থায় রয়েছে।

সংবাদটি আপনার কাছে কেমন লেগেছে

লাইক লাইক 0
অপছন্দ অপছন্দ 0
ভালোবাসা ভালোবাসা 0
হাসি হাসি 0
বিস্ময় বিস্ময় 0
দুক্ষ দুক্ষ 0
রাগ রাগ 0